বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে কেন বিরোধী দলনেতা বাছলেন, হাইকোর্টের প্রশ্নে অস্বস্তিতে স্পিকার!

রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলমান আইনি লড়াইয়ে স্পিকারের ভূমিকা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভার অধিবেশন শুরুর ঠিক আগের দিন এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। বিশেষত, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম আবেদন এড়িয়ে কীভাবে একজন ‘বহিষ্কৃত’ বিধায়ককে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মান্যতা দেওয়া হলো, তা নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েন স্পিকারের আইনজীবী।

বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আইনি প্রক্রিয়ায় তাড়াহুড়ো না করে সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনা আবশ্যক ছিল এবং এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে। ৯ মে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন ঝুুলিয়ে রাখা এবং ৩ জুন অন্য আবেদনের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি কেন ঘটল, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। অন্যদিকে, স্পিকারের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য দাবি করেন, প্রথম আবেদনে স্বচ্ছতার অভাব ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ছিল। বিপরীতে ৫৮ জন বিধায়ক সশরীরে উপস্থিত হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সমর্থন দেওয়ায় স্পিকার সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েছেন। এই মুহূর্তে মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *