বিয়ের কয়েক মাসেই ভাঙন! শোয়ার ঘরের এই ৭টি ভুলই কি দায়ী?

বিয়ের পর দম্পতিদের মধ্যে তৈরি হওয়া কলহ, ভুল বোঝাবুঝি বা মানসিক দূরত্ব নিরসনে অনেক সময় বাস্তুশাস্ত্রের নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাস্তুবিদদের মতে, বেডরুম হলো দাম্পত্য সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে উপস্থিত নেতিবাচক শক্তি নতুন সম্পর্কের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দাম্পত্য জীবনে সুখ ও শান্তি বজায় রাখতে শোয়ার ঘরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং বাস্তুদোষের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, খাটের নিচে জঞ্জাল, জুতো বা ভাঙা জিনিস রাখা, ঘরে ক্যাকটাস বা বনসাই রাখা এবং বন্ধ ঘড়ি বা অকেজো ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া খাটের সামনে আয়না থাকা, দেওয়ালে দুঃখের ছবি টাঙানো বা আলমারিতে প্রাক্তনের স্মৃতিচিহ্ন রাখা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অবিশ্বাস ও দূরত্বের সৃষ্টি করতে পারে। ডাবল খাটে আলাদা দুটি তোশক বা বালিশ ব্যবহার করাকেও বাস্তুবিদরা বিচ্ছেদের সংকেত হিসেবে গণ্য করেন।

এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে বেডরুমের পরিবেশ পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খাটের তলা পরিষ্কার রাখা, ল্যাভেন্ডার বা পিস লিলির মতো গাছ রাখা এবং আয়না ঢেকে রাখা অথবা সরিয়ে ফেলা। পাশাপাশি, আলাদা তোশকের বদলে বড় ম্যাট্রেস ব্যবহার, দেওয়ালে হাসিমুখের যুগল ছবি বা রাধা-কৃষ্ণের ছবি টাঙানো এবং দক্ষিণ বা পূর্ব দিকে মাথা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস দাম্পত্য সম্পর্কের বন্ধন সুদৃঢ় করতে সহায়তা করতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *