গণপিটুনি নয়, নাম দেখেই খুন! বারুইপুর কাণ্ডে গর্জে উঠলেন শুভেন্দু
বারুইপুরের সূর্যপুর পুলিশ আউটপোস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে শুভেন্দু অধিকারী নাবালিকা ধর্ষণ ও ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তিনি এই ঘটনাকে নিছক ‘গণপিটুনি’ বলতে নারাজ; বরং একে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও মৌলবাদী শক্তির ইন্ধন বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে তাঁর নাম ও পরিচয় দেখেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবারটিকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে এবং মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের ভাঙা বাড়ি পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের বড় ভাইকে এই নতুন পুলিশ আউটপোস্টেই সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধীরা যাতে সীমান্ত পেরিয়ে পালাতে না পারে, সেজন্য পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা বা ‘ফ্রি হ্যান্ড’ দেওয়া হয়েছে এবং ধৃতদের বসিরহাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকার আতঙ্ক দূর করতে পুলিশকে মাইকিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বেআইনি মদের ঠেক ও মাদক কারবার সমূলে উৎপাটনের পথ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (BNS) অনুযায়ী শাস্তির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।