ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি কেন? স্পিকারের সিদ্ধান্তের ওপর প্রশ্ন হাইকোর্টের!
বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতি: স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টের
কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনো রাজনৈতিক দলের আসল সত্তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আগেই স্পিকার কেন তড়িঘড়ি দলের একটি অংশকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ঘোষণা করলেন এবং একজনকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন, তা স্পষ্ট নয়। আদালত এই সিদ্ধান্তের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের ইঙ্গিত দিয়েছে এবং আজ বুধবার বেলা ৩টেয় মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে।
এই আইনি লড়াইয়ে স্পিকারের পক্ষে সওয়াল করেছেন এএজি বিল্বদল ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী মহারাষ্ট্রের একনাথ শিন্ডে মামলার প্রসঙ্গ তুলে দাবি করেছেন যে, এখানে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রযোজ্য নয় কারণ কোনো পিটিশন ঝুলে নেই। প্রসঙ্গত, তৃণমূল নেতৃত্ব ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কার করার পরেও ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন দাবি করে তিনি বিরোধী দলনেতা হন। তৃণমূল পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হলেও, বহিষ্কৃত বিধায়কের স্বীকৃতির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চে কোনো নির্দেশ না মেলায় তিনি ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন।