সাসপেন্ড হয়েও প্ল্যাকার্ড হাতে কল্যাণ! ‘২০ গদ্দার’ তোপে উত্তাল রাজনীতি, মমতার নীরবতা কেন?
অসংসদীয় আচরণ ও মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে লোকসভার বাদল অধিবেশন থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রিসাইডিং অফিসার কৃষ্ণপ্রসাদ তেন্নেতি এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জানিয়েছেন, সাংসদের এই আচরণ সংসদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।
বরখাস্ত হওয়ার পরের দিনই সংসদ চত্বরে গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। হিন্দিতে লেখা সেই প্ল্যাকার্ডে তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ রয়েছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, বিজেপি কেবল তাঁকেই ভয় পায় এবং দলের অভ্যন্তরীণ ‘গদ্দার ও বেইমানদের’ কারণেই বিজেপির সাহস বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য, অধিবেশন চলাকালীন দলের বর্তমান ও প্রাক্তন সতীর্থদের সঙ্গেও তাঁর তীব্র বাদানুবাদ হয়েছিল।
এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব বা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মহুয়া মৈত্র ও কুণাল ঘোষের মতো দলের একাংশ নেতার সমর্থন থাকলেও, দলনেত্রীর দীর্ঘ নীরবতা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে মতপার্থক্য এবং কল্যাণের ক্ষোভ প্রকাশের রেশ এখনো কাটেনি বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।