আগস্টেই কি বদলে যাচ্ছে আপনার ভাগ্য! জেনে নিন বড় চমক।
বার্তা ডেস্কঃ
চলতি আগস্ট মাসটি জ্যোতিষশাস্ত্রের বিচারে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও চমকপ্রদ হতে চলেছে। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে আকাশে ঘটতে চলেছে দুটি বড়সড় গ্রহণ। এর পাশাপাশি ভাগ্যবিধাতা ও কর্মফলদাতা শনিদেবের নক্ষত্র পরিবর্তনের মতো ঘটনাও ঘটবে এই মাসেই। জ্যোতিষবিদদের মতে, এই বিরল মহাজাগতিক সমাপতনের প্রভাবে ১২টি রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনেই বড়সড় রদবদল আসতে পারে।
ভারতে কি দেখা যাবে জোড়া গ্রহণ?
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ: আগামী ১২ আগস্ট বছরের দ্বিতীয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটতে চলেছে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, গ্রহণটি শুরু হবে রাত ৯:০৪ মিনিটে এবং শেষ হবে পরের দিন (১৩ আগস্ট) ভোর ৪:২৫ মিনিটে। যেহেতু ভারতে তখন রাত থাকবে, তাই এই গ্রহণ দেখা যাবে না। ফলে সূতক কাল পালন বা মন্দির বন্ধ রাখার প্রয়োজন নেই।
আংশিক চন্দ্রগ্রহণ: সূর্যগ্রহণের ঠিক ১৬ দিন পর, অর্থাৎ ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে একটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই গ্রহণটিও ভারত থেকে দৃশ্যমান হবে না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গ্রহণ দুটি ভারতে সরাসরি দেখা না গেলেও, জ্যোতিষশাস্ত্র মতে এই বিরল যোগের প্রভাব সব রাশির ওপরই কমবেশি পড়বে।
শনির নক্ষত্র বদল: সতর্ক থাকতে হবে ৩ রাশিকে
গ্রহণের আবহেই আগামী ২০ আগস্ট শনিদেব তাঁর নক্ষত্র পরিবর্তন করতে চলেছেন। ‘দৃক পঞ্চাঙ্গ’ অনুসারে, সেদিন শনিদেব ‘রেবতী নক্ষত্র’-এর প্রথম চরণে প্রবেশ করবেন।
জ্যোতিষীদের পরামর্শ অনুযায়ী, শনির এই নক্ষত্র পরিবর্তনের ফলে কর্কট, কন্যা এবং মীন—এই তিন রাশির জাতক-জাতিকাদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
পরামর্শ: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় তর্ক এড়িয়ে চলুন।
অর্থভাগ্য: যেকোনো আর্থিক লেনদেনে তাড়াহুড়ো করবেন না, অন্যথায় জমানো টাকা হঠাৎ খরচ হয়ে যেতে পারে।
কেতুর দুর্বল প্রভাব ও প্রতিকারের সহজ উপায়
যাঁদের জন্মছকে কেতু গ্রহ দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের জন্যও এই সময়টা একটু কঠিন হতে পারে। অশুভ কেতুর কারণে মনে অহেতুক ভয়, জয়েন্টের যন্ত্রণা বৃদ্ধি এবং হঠাৎ আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
তবে অশুভ প্রভাব কাটাতে জ্যোতিষবিদরা কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকারের কথা জানিয়েছেন:
প্রতি শনিবার শনিদেব অথবা হনুমানজির (বজরংবলী) পুজো করুন।
অনাথ ও দুস্থ মানুষদের সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য বা বস্তু দান করুন।
রাস্তার কুকুরকে নিয়মিত রুটি বা বিস্কুট খাওয়ালে শনি ও কেতু—উভয় গ্রহের দোষ কেটে যায়।