শিক্ষক নেই শ্রেণিকক্ষে, তাহলে পড়বে কে?
বার্তা ডেস্কঃ
গণহারে স্কুলশিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করল কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষকেরা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত স্কুল সামলে কখন এই কাজের সময় পাবেন। বহু শিক্ষককে কর্মস্থল থেকে দূরে গিয়ে জনগণনার কাজ করতে হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে একসঙ্গে সরিয়ে নিলে স্কুলের স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা থমকে যেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত।
সমস্যা মেটাতে রোটেশন পদ্ধতিতে দিনে চার-পাঁচ জন শিক্ষককে ব্যবহার করার বা এক দিন অন্তর কাজ করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত হলেও এটিকে প্রশাসনিকভাবে ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করতে হবে। রাজ্য জানিয়েছে, জনগণনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ এবং অন্যান্য রাজ্যে এই সমস্যা হচ্ছে না। তবে হাই কোর্ট স্পষ্ট করেছে, বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতে হবে। আগামী মঙ্গলবার মামলাকারীদের বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিজের সিদ্ধান্ত জানাবে রাজ্য।