আফগানিস্তানে কি তবে আবার নতুন গৃহযুদ্ধ শুরু হচ্ছে?
বার্তা ডেস্কঃ
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে কঠোর হাতে আফগানিস্তান শাসন করে আসলেও, পাঁচ বছর পূর্তির মুখেই বড় ধরণের ধাক্কা খেল তালেবান। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশের ইয়াফতাল-এ পায়িন জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলবে ইসলামপন্থি এই শাসকগোষ্ঠী। ক্ষমতা পুনর্দখলের পর এটিই তালেবানের হাতছাড়া হওয়া প্রথম কোনো বড় অঞ্চল।
বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী এবং জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (IS)-এর আঞ্চলিক শাখার থেকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে তারা। আফগান সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল সামি সাদাত ইতিমধ্যেই তালেবানের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, তালেবানের কঠোর নীতি ও মৌলিক অধিকার হরণের কারণেই এই রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধিতা তীব্র রূপ নিচ্ছে।
অন্যদিকে, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তানের সঙ্গেও তালেবানের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। ২০২৬ সালের প্রথম দিকে সীমান্ত সংঘাতের পাশাপাশি একে অপরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ আনছে দুই দেশ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা বজায় থাকলে আফগানিস্তানে খুব শীঘ্রই এক নতুন ছায়াযুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।