ক্রীড়াঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কি তবে চিরতরে বন্ধ হচ্ছে?
বার্তা ডেস্কঃ
জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে নবান্ন সভাঘর থেকে রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রকে ঢেলে সাজানোর ঐতিহাসিক ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ক্রীড়া সংস্থাগুলির উপর থেকে সমস্ত রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া হবে এবং খেলা পরিচালনার পুরো দায়িত্ব যোগ্য ক্রীড়াবিদ ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের হাতেই ন্যস্ত করা হবে। বিগত বছরগুলিতে উপযুক্ত পরিকাঠামো, সহযোগিতা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবের কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বাংলার প্রতিনিধিত্ব কমেছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে চলতি বাজেটে ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন মিনি ইন্ডোর স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের মেধা ও নিষ্ঠাকে যথাযথ মর্যাদা দিতে স্পোর্টস কোটার মাধ্যমে পুলিশসহ বিভিন্ন সংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের বিশেষ সুযোগ তৈরি করা হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে ১৪৫ জন কৃতী ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য মোট চার কোটি একত্রিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া রাজ্যের প্রধান ক্লাবগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং বার্ষিক আর্থিক সহায়তার ভাবনার কথাও তুলে ধরা হয়। অলিম্পিক বা এশিয়াডের মতো বড় মঞ্চে পদক জয়ের পুরস্কার বিতরণের চেয়ে প্রতিযোগিতায় ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে বর্তমান প্রশাসন।