নেপালের জঙ্গলে শবের পাহাড়, ডিএনএ সংরক্ষণে নতুন নিয়ম!

বার্তা ডেস্কঃ

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় সৃষ্ট ট্র্যাজেডি এক সপ্তাহ কেটে গেলেও থামেনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত, বিশেষ করে ত্রিশূলী নদীসহ সংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে একের পর এক লাশ ভেসে আসায় হাসপাতাল ও মর্গগুলোতে আর তিল ধারণের জায়গা নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঠমান্ডুর উপকণ্ঠে গোর্কণা বনাঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে অশনাক্ত মৃতদেহগুলোর গণকবর দেওয়া শুরু করেছে প্রশাসন।

চিত্রটি অত্যন্ত মর্মান্তিক—পিপিই (PPE) কিট পরে উদ্ধারকর্মীরা দুর্গম কাদা ও জঙ্গল পেরিয়ে কাঁধে করে লাশ বয়ে নিয়ে গিয়ে মাটিচাপা দিচ্ছেন। তবে ভবিষ্যতে পরিবার যাতে স্বজনকে শনাক্ত করতে পারে, সে জন্য মাটিচাপা দেওয়ার আগে প্রতিটি মৃতদেহের ডিএনএ নমুনা, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং কবরে বিশেষ ট্যাগ নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নিচু এলাকা চিতওয়ান জেলায়, সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে সর্বোচ্চ ৩২১টি লাশ। সারা দেশের মর্গগুলোতে মাত্র ৩৫০টি দেহ রাখার ব্যবস্থা থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘অশনাক্ত ও দাবিহীন দেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০২১’ সংশোধন করেছে নেপাল সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মর্গের সংকট কাটানো ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ডিএনএ রেখেই অস্থায়ীভাবে মৃতদেহ মাটিচাপা দেওয়া হবে, যাতে পরে স্বজনদের কাছে তা বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *