পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের অবিশ্বাস্য সম্পত্তির খতিয়ান ফাঁস!
বার্তা ডেস্কঃ
বিপুল ধন-সম্পত্তির অধিকারী দ্বাদশ শতাব্দীর বিশ্ববিখ্যাত পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দির। সম্প্রতি শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (SJTA) মন্দিরের ব্যাংক ব্যালান্স ও জমিজমার একটি আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করেছে, যা ভক্তদের চোখ কপালে তুলে দিয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, কর্পাস ফান্ড এবং অ্যাকাউন্টে মিলিয়ে মন্দিরের মোট গচ্ছিত নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৯১২ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, ওড়িশা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মন্দিরের মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ৬০ হাজার ৮২১ একরেরও বেশি। ভক্তদের অকৃত্রিম অনুদান, পাথর খনি, ফিক্সড ডিপোজিটের সুদ এবং জমি সংক্রান্ত আয়ই মন্দিরের আর্থিক তহবিলের মূল উৎস।
নগদ অর্থ ও জমিজমার পাশাপাশি মন্দিরের রহস্যময় রত্নভাণ্ডারে রয়েছে সোনা, হিরে, পান্না ও রুপোর অলঙ্কারের অগণিত সম্ভার। উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর ২০২৪ সালে শ্রীমন্দিরের রত্নভাণ্ডারের দরজা খোলা হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে ভিতরের সম্পদের চূড়ান্ত তথ্য গোপনেই রেখেছেন কর্তৃপক্ষ। তবে পুরনো হিসেব নির্দেশ করে, রত্নকক্ষে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের অন্তত ৭৪টি ভারী সোনার অলঙ্কার, রত্নখচিত তৃতীয় নয়ন এবং মূল্যবান রুপোর অলঙ্কার সংরক্ষিত রয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নিরাপত্তার কঠোর বেষ্টনীতে আবৃত এই রত্নভাণ্ডারের মাত্র ১০ শতাংশ অলঙ্কার প্রভুর সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়। সরকারি আইন মেনে পরিচালিত এই পবিত্র ধামের বিপুল ঐশ্বর্য আজ পুরো দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে।