শিক্ষক শুধু পড়ান না, জীবন গড়েন!
বার্তা ডেস্কঃ
শিক্ষক দিবস কেবল একটি বিশেষ দিন নয়, সমাজ গঠনের মূল কারিগরদের অসামান্য অবদানকে সম্মান জানানোর এক মহৎ উপলক্ষ। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও দার্শনিক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর পাশাপাশি শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সমাজ গঠনে শিক্ষকের অবদান: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে জানান, শিক্ষক দিবস সমাজে শিক্ষকদের বলিষ্ঠ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার দিন। ডঃ রাধাকৃষ্ণনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক আলাপচারিতার বিশেষ মুহূর্তগুলিও তিনি ভাগ করে নেন।
‘আচার্যদেব ভব’ ও জীবনের শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বার্তায় শিক্ষকের বৃহত্তর ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষকের কাজ শুধু নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচি শেষ করা নয়; বরং পড়ুয়াদের স্বাধীন চিন্তা, মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস ও কৌতূহল গড়ে তোলা। ‘আচার্যদেব ভব’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো স্নেহ, ধৈর্য ও ন্যায়বোধ দিয়ে শেখানোই শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব। ওড়িশার রাইরংপুরে নিজের শিক্ষকতার স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি জানান, কীভাবে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো ও নাটকের মাধ্যমে তিনি শিশুদের বিকাশ ঘটাতেন।
অন্ধকারে আলোর পথপ্রদর্শক: শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডঃ রাধাকৃষ্ণনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, একজন শিক্ষক অন্ধকারের মাঝে আলোর দিশা দেখান, স্বপ্ন দেখার সাহস দেন। জীবনের যেকোনো সাফল্যের নেপথ্যেই কোনো না কোনো শিক্ষকের অবদান চিরকাল থেকে যায়।