টোটোচালকের সাহসিকতায় রক্ষা পেল ৫ স্কুলছাত্রী!
বার্তা ডেস্কঃ
মোবাইল ঘাঁটার জন্য বাড়িতে বকাঝকা করায় অভিমান করে বাড়ি ছেড়েছিল সপ্তম শ্রেণির পাঁচ ছাত্রী। কিন্তু এক টোটোচালকের সতর্ক নজর ও উপস্থিত বুদ্ধির জোরে বড়সড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেল তারা। কোচবিহারের শীতলকুচির বড় গদাইখোড়া ভিএম হাই স্কুলের এই পাঁচ ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে সোজা কোচবিহার শহরে চলে যায়।
সারাদিন শহরে ঘুরে সন্ধ্যায় নিউ কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছানোর পর তাদের রাত কাটানোর কোনো ঠিকানা ছিল না। রাজবাড়ি এলাকা থেকে ওঠা টোটোচালক আব্দুল আলিকে তারা জিজ্ঞাসা করে, “একটা ভাড়াবাড়ি ঠিক করে দিতে পারবেন?” রাত নামার মুখে এত ছোট মেয়েদের বাড়িভাড়া খোঁজার কথা শুনে সন্দেহ হয় টোটোচালকের।
তিনি কৌশল করে নাবালিকাদের টোটোয় বসিয়ে রাজবাড়ির মোড়ে কর্তব্যরত ট্র্যাফিক পুলিশের কাছে নিয়ে যান। পরে তাঁদের পরামর্শে মেয়েদের সোজা কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় পুলিশ আধিকারিকেরা এই বয়সে না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার ভয়াবহ ঝুঁকি সম্পর্কে কিশোরীদের বোঝালে, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
এদিকে পরিবারের সদস্যরা ফোন ও মেয়েদের না পেয়ে যখন খোঁজাখুঁজি করছিলেন, তখন পুলিশের তরফ থেকে তাঁদের খবর দেওয়া হয়। থানায় পৌঁছে পরিজনেরা নিজেদের সন্তানদের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। টোটোচালক আব্দুল আলির এই দায়িত্বশীল ভূমিকা ও বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করেছেন সকলেই।