গণেশ চতুর্থীতে এই বিশেষ মন্ত্র জপে দূর হবে সব অর্থকষ্ট!
বার্তা ডেস্কঃ
September 10, 20262:33 pm
হিন্দু ধর্মানুসারে ভগবান গণেশের জন্মোৎসব হিসেবে অত্যন্ত ধুমধামের সঙ্গে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দুপুরের দিকে সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্ম হয়েছিল, তাই দুপুরের মধ্যাহ্নকালকে গণেশ পুজোর সবচেয়ে শুভ সময় বলে মনে করা হয়। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং তা শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে। পুজোর শুভ সময় নির্ধারিত হয়েছে সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিট পর্যন্ত।
পুজো ও মূর্তি স্থাপনের নিয়ম
বাড়িতে গণেশ মূর্তি স্থাপনের আগে পুজোর স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করে গঙ্গাজল ছিটিয়ে পবিত্র করে নিতে হবে। এরপর একটি চৌকি বা পিঁড়ির উপর লাল কিংবা হলুদ রঙের কাপড় বিছিয়ে তার উপর গণেশ মূর্তি স্থাপন করতে হবে। পঞ্চামৃত দিয়ে মূর্তিকে স্নান করিয়ে নতুন পোশাক ও গয়না পরানোর পর পুজো শুরুর আগে হাতে জল, ফুল ও চাল নিয়ে সংকল্প করতে হবে। নিয়ম মেনে পুজো সম্পন্ন করে ভগবান গণেশকে দূর্বা ঘাস, লাল ফুল, মোদক বা লাড্ডু এবং বিভিন্ন ধরনের গোটা ফল নিবেদন করতে হয়। সবশেষে ভক্তিভরে আরতি করতে হবে।
বিশেষ মন্ত্র ও আর্থিক সংকট মুক্তির উপায়
গণেশ চতুর্থীর তিথিতে নানা আচার-অনুষ্ঠানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র তিথির রাতে ‘ওঁ গণ গণপতয়ে নমঃ’ মন্ত্র অন্তত ১০৮ বার জপ করলে জীবনের সমস্ত বাধা-বিপত্তি কেটে যায় এবং আর্থিক সমস্যার সমাধান শুরু হয়। এই মন্ত্র জপের মাধ্যমে মনকে একাগ্র করা এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব। ভক্তদের বিশ্বাস, সিদ্ধিদাতার কৃপায় জীবনে সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের পথ সুগম হয়।
দান ও সেবার গুরুত্ব
এই দিনে দান ও সেবামূলক কাজের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়। গণেশ চতুর্থীতে দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার, বস্ত্র কিংবা অর্থ দান করা অত্যন্ত শুভ। শাস্ত্র মতে, গণেশ দয়া, সমৃদ্ধি ও শুভবুদ্ধির প্রতীক; তাই এই দিনে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে এলে বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা যায়।