স্কুল চত্বরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, শিক্ষক দম্পতিকে কুপিয়ে খুন!
বার্তা ডেস্কঃ
September 29, 20266:28 pm
মঙ্গলবার সকালে উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে এক শিউরে ওঠা দৃশ্য দেখল এলাকাবাসী। স্কুল চত্বরের ভিতরেই পড়ে রয়েছে শিক্ষক দম্পতির রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত জোড়া দেহ। যোগীরাজ্যে এই নৃশংস জোড়া খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
নিহতদের পরিচয়: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতদের নাম মুকেশ সিং (৪৮) এবং তাঁর স্ত্রী বিনীতা সিং (৪৫)। মুকেশবাবু খানুহাট কম্পোজিট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি মোতিগড়পুর প্রাথমিক শিক্ষক সঙ্ঘের সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে, বিনীতা দেবী একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। কুম্ভী ডাডিয়া গ্রামের ওই বেসরকারি স্কুল চত্বরেই একটি বাড়িতে থাকতেন এই দম্পতি। সেখানেই সোমবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন তাঁরা।
কীভাবে খুন করা হল? ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছেন সুলতানপুরের পুলিশ সুপার বিনীত জয়সওয়াল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন করা হয়েছে দু’জনকে। অকুস্থল থেকে একটি রক্তমাখা কুড়ুল উদ্ধার করা হয়েছে। বিনীতা দেবীর মৃতদেহ ঘরের চৌকাঠের কাছেই পড়েছিল। পুলিশের ধারণা, স্ত্রীকে চোখের সামনে খুন হতে দেখে প্রাণ বাঁচাতে পালানোর চেষ্টা করেন মুকেশবাবু। কিন্তু তাঁকে প্রায় ১৫০ মিটার ধাওয়া করে নির্মমভাবে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। দু’জনের মাথা, মুখ, গলা ও পিঠে গভীর আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।
খুনের নেপথ্যে কী কারণ? এই জোড়া খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ব্যক্তিগত শত্রুতা এবং রাজনৈতিক কারণ—উভয় দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মুকেশ সিং ২৮ সেপ্টেম্বর হতে চলা শিক্ষক সঙ্ঘের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন (যা পরে স্থগিত হয়)। বিনীতা দেবীও অতীতে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। খুনিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।