রেজিনগরে সংখ্যালঘু ভোটে বড় চমক, বাবরি মসজিদ নয় কারখানা চাই!
বার্তা ডেস্কঃ
রাজ্য রাজনীতিতে উপনির্বাচনের পারদ এখন তুঙ্গে। একদিকে যখন শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠ ও সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব বিরোধী শিবির, ঠিক তখনই রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এক অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধীদের সমস্ত সমীকরণ উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এবার রেজিনগরে গেরুয়া শিবিরের জয় শুধুই সময়ের অপেক্ষা।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দাবি করেন, রেজিনগরে সাধারণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু সংখ্যাগুরু নয়, এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও এখন আর বিভাজনের রাজনীতিতে পা দিতে নারাজ। শমীকবাবু বলেন, “সংখ্যালঘু মানুষরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছেন যে তাঁরা বাবরি মসজিদ চান না, বরং এলাকায় কারখানা, কর্মসংস্থান ও উন্নত পরিকাঠামো চান।” সাধারণ মানুষের এই পরিবর্তনই রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থীকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ব্যবধানে জয় এনে দেবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
শুধু রেজিনগরই নয়, অপর হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম নিয়েও সমান আস্থাশীল গেরুয়া শিবির। বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, এবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জয়ের মার্জিন আগের তুলনায় অন্তত পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
ভোটিং পর্বের উত্তাপের মাঝে বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই সুনিশ্চিত দাবি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের এই উপনির্বাচনের ফলাফল আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছে অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল।