জামিন পেয়েই মোদী সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ সিজেপি প্রধানের, শুরু কি স্বৈরাচার পতনের?

বার্তা ডেস্কঃ

নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠল দেশের রাজধানী। এই দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ধুন্ধুমার রূপ নেয়।

এর আগে মুম্বই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান অবতরণ করা মাত্রই নাটকিয়ভাবে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। প্রায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পুলিশি হেফাজতে রাখার পর রবিবার দিল্লির একটি আদালত এই তিন সিজেপি নেতাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়।

আদালত থেকে জামিন পেয়েই সরাসরি তোপ দাগেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দিপকে। কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে হুংকার ছেড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্ট করেন তিনি। বিজেপি সরকারকে ‘ভীতু’ ও ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে সাফ জানান, তাঁদের এই আন্দোলন থামবে না।

বিস্ফোরক বার্তায় অভিজিৎ লেখেন, “১০ অক্টোবর তারিখটি ইতিহাসে এই স্বৈরতন্ত্রের পতনের সূচনা হিসেবে চিরকাল চিহ্নিত হয়ে থাকবে। শাসকদলের এই কাপুরুষোচিত আচরণ ও দমনপীড়ন প্রমাণ করে দেয় যে তাদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। আমরা ভয় পাই না; এই লড়াই চলবে এবং খুব শীঘ্রই আমরা আবার রাজপথে নামব।”

উল্লেখ্য, আদালত তাঁদের ১ বছরের জন্য এমন কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে নিষেধ করেছে যা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে। তবে আইনি কড়াকড়ির মধ্যেও সিজেপি নেতৃত্বের এই আক্রমণাত্মক মনোভাব জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা ও উত্তাপ সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশন বনাম বিরোধী শক্তির এই সংঘাত ভবিষ্যতে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *