মহালয়ার পরেই বাজিমাত, পুরুলিয়ার মুখোশ গ্রামে দেড় সপ্তাহে কোটি টাকার ব্যবসা!
বার্তা ডেস্কঃ
দুর্গাপুজোয় রাজ্য জুড়ে সাবেকি প্রতিমার দাপট থাকায় বড় কোনো বরাত পাননি পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির চড়িদা গ্রামের মুখোশ শিল্পীরা। টানা ৫ মাসের পরিশ্রমের পর পুজোয় কাজ না মেলায় মন খারাপের মেঘ জমেছিল বিখ্যাত এই মুখোশ গ্রামে। তবে সমস্ত হতাশা মুছে দিয়েছে দেবীপক্ষ থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত চলা এক পাক্ষিকের বিক্রিবাট্টা। মহালয়ার পর থেকে হুট করে মুখোশের চাহিদা লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়। ফলস্বরূপ, মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই গ্রামজুড়ে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার বিকিকিনি সম্পন্ন হয়েছে, যা উৎসবের মৌসুমে শিল্পীদের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফিরিয়ে এনেছে।
গ্রামের প্রায় ১০০টি দোকানের প্রতিটিতে গড়ে দৈনিক দুই হাজার টাকারও বেশি অর্থমূল্যের মুখোশ বিক্রি হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গা ও মহিষাসুরের পাশাপাশি গণেশ এবং কথাকলির মুখোশ বিক্রি ছিল চোখে পড়ার মতো। খ্যাতনামা শিল্পী জগদীশ সূত্রধর একাই পুনে, দমদম, ব্যান্ডেল ও শান্তিপুর থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকার অর্ডার পেলেও বাকিদের ব্যবসা নির্ভর করেছিল এই সরাসরি বিক্রির ওপর। চড়িদার প্রবীণ ও তরুণ শিল্পীরা জানিয়েছেন, মনখারাপের আবহ কাটলেও পাঁচ মাসের দীর্ঘ প্রস্তুতির সাপেক্ষে এই ২০ লাখ টাকার ব্যবসাকে তাঁরা কেবল ‘মন্দের ভালো’ বলেই মনে করছেন।