নাগপুরের মসনদে ধাক্কা, বিজেপির গড়ে কংগ্রেসের বড় থাবা কি তবে শরিকের বিশ্বাসঘাতকতা?
বার্তা ডেস্কঃ
মহারাষ্ট্রের নাগপুরের মতো নিজেদের মজবুত দুর্গে কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে অপ্রত্যাশিত পরাজয় জাতীয় রাজনীতিতে মহাজোটকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে। বিধান পরিষদের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে কংগ্রেসের অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি ৩,২৭১ ভোটে বিজেপির সুধাকর কোলেকে পরাজিত করার পরই বিজেপি শিবিরের অন্দরে হারের কারণ ও অন্তর্ঘাত নিয়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ফল প্রকাশের পর জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও আত্মপর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোথায় কী খামতি ছিল তা বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে, পাশাপাশি মহাজোটের শরিক শিব সেনা আদৌ বিজেপির প্রার্থীর পক্ষে সম্পূর্ণ সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিল কি না, সেই বিষয়টিও গভীরভাবে তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।
শুরুতে চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে কংগ্রেস শূন্য রানে আটকে থাকবে ভেবে কটাক্ষ করলেও, সময় গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে হারের পাশাপাশি বিহারেও বিজেপির পারফরম্যান্স মোটেও সন্তোষজনক হয়নি, একমাত্র কর্ণাটক থেকে স্বস্তির খবর মিলেছে। নাগপুরের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই শাসকদলের অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস সমাজমাধ্যম থেকে তাঁর আগের খোঁচামূলক পোস্ট মুছে ফেলেন। এই ঘটনার পর জোটের মধ্যে শরিকি অসন্তোষ ও পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন যেমন জোরালো হচ্ছে, তেমনই বিরোধীদের আত্মবিশ্বাস ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তুলে একাধিক রাজ্যে বিজেপিকে গভীর আত্মপর্যালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে।