খোসাসহ শসা খাওয়া কি সত্যিই বিষ? পুষ্টিবিদের গোপন সত্য জানলে চমকে উঠবেন!
বার্তা ডেস্কঃ
খোসা ছাড়িয়ে নাকি খোসাসমেত শসা? স্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
নিজস্ব প্রতিবেদক: শসা খাওয়ার সময় খোসা রাখা উচিত কি না—এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বিধা রয়েছে। তবে পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, শসার খোসায় লুকিয়ে আছে ভিটামিন কে, ডায়েটারি ফাইবার এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত খোসাসমেত শসা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ সহায়তা পাওয়া যায়। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি বিপাক হার বাড়াতে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
তবে পুষ্টির এই দিকটির পাশাপাশি রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকির এক বড় আশঙ্কা। বাজারে বিক্রিত শসাকে দীর্ঘক্ষণ সতেজ ও আকর্ষণীয় রাখতে বিক্রেতারা অনেক সময় কৃত্রিম মোমের (Wax) প্রলেপ ব্যবহার করেন। এছাড়া চাষের সময় শসায় প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়। সাধারণ কলের জলে ধুলে এই বিষাক্ত আস্তরণ পুরোপুরি দূর হয় না, যা শরীরে দীর্ঘমেয়াদী বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে ঘরোয়া কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়েছেন:
১. পরিষ্কার পদ্ধতি: বাজার থেকে আনা শসা হালকা গরম জলে সামান্য বেকিং সোডা বা ভিনিগার মিশিয়ে অন্তত ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভালো করে ঘষে পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিলে ক্ষতিকর মোম ও কীটনাশকের প্রভাব অনেকাংশে দূর হয়।
২. সতর্কতা: শসার খোসায় পুষ্টিগুণ থাকলেও, যদি সঠিক উপায়ে তা পরিষ্কার করার সুযোগ না থাকে, তবে ঝুঁকি না নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
অর্থাৎ, যথাযথভাবে পরিষ্কার করতে পারলে খোসাসমেত শসা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আর তা সম্ভব না হলে ঝুঁকি এড়াতে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।