নিমকরৌলি বাবার মতোই ট্রেন থামার অলৌকিক কাহিনি! জামুড়িয়ার ইকরার শ্মশান কালীর রহস্য জানেন?

আসানসোলের জামুড়িয়ার ইকরা গ্রামে বহু বছর আগে নিমকরৌলি বাবার মতোই ইংরেজ টিকিট পরীক্ষকের রোষে পড়তে হয়েছিল সাধক বামাক্ষ্যাপাকে। কথিত আছে, অণ্ডাল থেকে দেওঘর যাওয়ার পথে টিকিট না থাকার অজুহাতে তাঁকে জোর করে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেন এক ইংরেজ পরীক্ষক। এরপরই হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং হাজার চেষ্টাতেও ট্রেন এক ইঞ্চিও এগোয়নি। ভুল বুঝে রেলকর্মীরা সাধকের খোঁজে নামলে তাঁকে ইকরার শ্মশানে গভীর ধ্যানে মগ্ন দেখতে পান। আধিকারিকরা চরণে ক্ষমা চাওয়ার পরেই সচল হয় ট্রেন।

সে সময়ে সিঙ্গারণ নদীর তীরে মহীষাবুড়ির জোড় গাছের তলায় সাধনা করেছিলেন বামদেব। পরে তিনি তারাপীঠে ফিরে গেলেও, ইকরা শ্মশানে মা কালী ‘মহিষাবুড়ি’ রূপে পূজিতা হতে শুরু করেন। সময়ের পরিবর্তনে জঙ্গল ঘেরা সেই স্থান আজ বিশাল মন্দিরে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় পুস্তিকা অনুযায়ী, ১৯০৬ সালের ২০ অক্টোবর প্রধান শিষ্য ঋষিকেশ চট্টোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে তিনি দ্বিতীয়বার এই গ্রামে আসেন। কালিপুজোর এই শুভ মরশুমে আজও হাজার হাজার ভক্ত বামাক্ষ্যাপার পদধূলিধন্য ইকরার এই জাগ্রত মহিষাবুড়ি শ্মশান কালী মন্দিরে ভিড় জমান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *