জামিন নয়, বিচারকের কাছে ইন্দ্রনীলের আইনজীবী আসলে কী চাইলেন!
জেল হেফাজতে অভিযুক্ত, প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা পেলেন ইন্দ্রনীল
নিজস্ব প্রতিবেদক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত ইন্দ্রনীলকে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযুক্তের আইনজীবী আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে জেলে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুনানি চলাকালীন সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। অভিযুক্তের দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২৭ লক্ষ টাকা রয়েছে এবং ফ্রিজ করা ২৭টি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট ১০ কোটিরও বেশি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া গতকালের তল্লাশিতে উদ্ধার হওয়া ১৩টি নথি যাচাই করা প্রয়োজন। সরকারি ছুটির কারণে কিছু নথিপত্র আসতে দেরি হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ নষ্ট না করে আপাতত অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানান সরকারি আইনজীবী এবং জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন।
অন্যদিকে, ইন্দ্রনীলের আইনজীবী আদালতে আবেদন করেন যে, অভিযুক্ত নিয়মিত কিছু ওষুধ সেবন করেন এবং জেলে তাঁকে যেন প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দেওয়া হয়। তাঁর যুক্তিতে তিনি জানান, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে এর আগেও বসু ও সান্তনা সেনা বিশ্বাসকে এই বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। যদিও অভিযোগকারীর আইনজীবী প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা প্রদানের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর আদালত ইন্দ্রনীলকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা ও সামাজিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করে তাঁকে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা মঞ্জুর করেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, অভিযুক্ত যেন নিয়মিত প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র পান।