দুর্নীতি নাকি ঋণের ফাঁদ, আসল সত্যিটা কি ধরতে পারছে ভারতের নতুন প্রজন্ম?

বার্তা ডেস্কঃ

ভারতের রাজনীতিতে কোলাহল আর স্লোগানের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল প্রশ্নটি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের ‘হারানো দশক’ ছিল স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির সময়, যেখানে যোগ্যতার চেয়ে নেতার পরিচিতিই ছিল মূল চাবিকাঠি। অথচ ২০১৪ সালের পর জ্যাম ট্রিনিটি (জন ধন, আধার, মোবাইল) প্রযুক্তির মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের যুগ শেষ করে সরাসরি নাগরিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি পৌঁছে দিয়েছে। নীতি আয়োগের তথ্য অনুযায়ী, এই সুশাসনের ফলে মাত্র নয় বছরে প্রায় ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন এবং দারিদ্র্যের হার নেমে এসেছে ১১.২৮ শতাংশে।

এর বিপরীতে কেরালা ও কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলোর ঋণনির্ভর নীতি এবং বিনামূল্যের সংস্কৃতি আজ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জন্ম দিয়েছে। কৃত্রিম সংকট ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে একদল হতাশ প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। দেশের তরুণ সমাজকে এখন ঠিক করতে হবে—তারা কি মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের ভিত্তিক উন্নয়ন চায়, নাকি রাজনৈতিক কোলাহল ও ভবিষ্যতের বিনিয়োগ ধ্বংসকারী ঋণনির্ভর ব্যবস্থা চায়? আগামী ৫০ বছরের ভারতীয় গণতন্ত্র নির্ভর করছে যুবসমাজের এই সঠিক সিদ্ধান্তের ওপরই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *