রাজ্যে পালাবদল, তবুও চেয়ার ছাড়তে নারাজ কেশপুর পঞ্চায়েত সভাপতি!
রাজনৈতিক পালাবদলের মাঝেও উন্নয়নের কাজে অবিচল কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের ইস্তফা দেওয়ার প্রবণতা দেখা গেলেও, ব্যতিক্রমী অবস্থান নিলেন মেদিনীপুরের কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও তৃণমূল নেতা চিত্ত গরাই। বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও এবং এলাকায় তৃণমূলের একাধিক কার্যালয় বন্ধ হয়ে গেলেও, জনগণের স্বার্থে নিজের পদে বহাল থেকে প্রশাসনিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির ৪৫টি আসন ও ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সমীকরণে বদল আসায় এলাকায় বিজেপির প্রভাব বাড়লেও, চিত্ত গরাই নিয়মিত অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি কাজ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।
এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনিক মহলে স্বস্তি ফিরেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতা তন্ময় ঘোষ জানিয়েছেন, কাউকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে না এবং যাঁরা কাজ করতে ইচ্ছুক, তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হবে না। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে রাস্তাঘাট, পানীয় জল, কৃষিকাজ এবং সরকারি প্রকল্পের মতো জরুরি পরিষেবাগুলো সচল থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সরকারি পরিষেবা পাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই দূর হয়েছে।