ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় অশান্তির ছক! একজোট জামাতসহ ১১ দল?
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ বিতর্ক: বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ বা ‘পুশ-ইন’ করানোর অভিযোগ তুলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের একটি জোট। অভিযোগ উঠেছে, বিএসএফ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের জোর করে সীমান্ত পার করিয়ে দিচ্ছে এবং সীমান্তে গুলিবর্ষণের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। জোটটির দাবি, গত তিন মাসে সীমান্তে ৫০টিরও বেশি ‘পুশ-ইন’-এর ঘটনা ঘটেছে এবং মার্চ থেকে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ২,৪৭৯ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা হয়েছে। এই ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে আগামী ১২ জুন সীমান্ত এলাকায় সমাবেশ এবং ১৫ জুন ঢাকায় বড় ধরনের বিক্ষোভ ও মিছিলের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারত সরকার এ ধরনের সব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সীমান্তে কোনো জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ ঘটানো হচ্ছে না। বরং দুই দেশের বিদ্যমান চুক্তি ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক নাগরিকত্ব যাচাইয়ের মাধ্যমেই অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ভারতকে সহযোগিতার জন্য ঢাকাকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বানও জানিয়েছে ভারত। উল্লেখ্য, এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ে আলোচনা চলাকালেই রাজপথে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করার ফলে সীমান্তে নতুন করে অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।