মহিলাদের অধিকার হরণ ও ভ্রূণহত্যার শামিল বিরোধীদের কর্মকাণ্ড, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন মোদী!
লোকসভায় প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ব্যর্থতার জন্য সরাসরি কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি ও ডিএমকে-কে দায়ী করে তাদের তীব্র আক্রমণ করেন। বিলটি আটকে যাওয়াকে তিনি ‘মহিলাদের অধিকারের ভ্রূণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই পরিস্থিতির জন্য দেশের নারীদের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। ৫২৮ জন সাংসদের উপস্থিতিতে বিলের পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়ে, যার ফলে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬৬ শতাংশ সমর্থন অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুসহ বিভিন্ন রাজ্যের upcoming বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের দাবি, এই বিলের মাধ্যমে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করার প্রস্তাব ছিল। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনা ও আসন পুনর্বিন্যাসকে সংরক্ষণের সাথে যুক্ত করে সরকার আসলে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। এই বিল নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপির মহিলা সাংসদরা। বিরোধীরা পাল্টা দাবি করেছেন যে, কোনো স্পষ্ট রূপরেখা ছাড়াই সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে এই বিল এনেছিল।