দেরিতে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত! এগ ফ্রিজিং কি সত্যিই নিরাপদ?

বর্তমানে কর্মজীবনের ব্যস্ততা ও বিভিন্ন কারণে অনেক নারী দেরিতে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তবে ৩৫ বছর বয়সের পর নারীদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা বা ফার্টিলিটি ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চাইছেন এমন নারীদের জন্য ‘এগ ফ্রিজিং’ বা ডিম্বাণু সংরক্ষণ একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি হয়ে উঠেছে। দিল্লির ‘বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ’-এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডক্টর কণিকা শর্মার মতে, ডিম্বাণু সুস্থ থাকা অবস্থায় তা সংরক্ষণ করে রাখলে পরবর্তীতে সন্তান গ্রহণে কোনো বাধা থাকে না।

এগ ফ্রিজিং প্রক্রিয়ার চারটি প্রধান ধাপ রয়েছে—প্রাথমিক পরীক্ষা, হরমোনের ইনজেকশন, ডিম্বাণু সংগ্রহ এবং এরপর ল্যাবে মাইনাস তাপমাত্রায় তা সংরক্ষণ। ডিম্বাণু সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত নিরাপদ এবং এতে হালকা അനস্থেশিয়া ব্যবহারের ফলে রোগী কোনো ব্যথা অনুভব করেন না। চিকিৎসকদের মতে, ৩৫ বছর বয়সের আগে এগ ফ্রিজ করানো সবচেয়ে কার্যকর, কারণ এই বয়সে ডিম্বাণুর গুণগত মান সবচেয়ে ভালো থাকে। তবে ডিম্বাণু সংরক্ষণের পর তা ব্যবহারের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই; মহিলারা নিজের সুবিধামতো সময়ে মাতৃত্বের জন্য তা ব্যবহার করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *