সবাই মরল, আমি কেন বাঁচলাম? এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনার এক বছর পেরিয়েও কাটেনি মানসিক নরকযন্ত্রণা!
গত বছর ১২ জুন গুজরাটের আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। রানওয়ে ছাড়ার ৩২ সেকেন্ডের মাথায় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মেডিকেল কলেজের হোস্টেল ও ক্যান্টিন ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১২ জন ক্রু ও ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। তবে অলৌকিকভাবে ২৬০ জনের মধ্যে একমাত্র ৩৯ বছর বয়সী বিশ্বাসকুমার রমেশ বেঁচে ফিরেছিলেন। এই ঘটনায় রমেশ নিজের ভাই অজয়কেও হারিয়েছেন।
দুর্ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই দুঃসহ স্মৃতির রেশ এখনো কাটেনি ৩৬ বছর বয়সী রমেশের। বর্তমানে ব্রিটেনের লেস্টার শহরে বসবাসকারী রমেশ ‘সারভাইভার গিল্ট’ বা অপরাধবোধজনিত মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর পরিবার ও পরিচিতদের ভাষ্যমতে, গভীর ট্রমা ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে তিনি ঘরবন্দি জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে, ভারতের তদন্তকারী সংস্থা এবং ব্রিটেনের ‘এয়ার এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্রাঞ্চ’ যৌথভাবে এই দুর্ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। গত মার্চ মাসে রমেশ নিজে আহমেদাবাদে এসে তদন্তকারীদের কাছে অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন, তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।