ট্রেনে বাইক পাঠানোর সহজ নিয়ম! কত খরচ ও কী কী কাগজ লাগবে?

এক শহর থেকে অন্য শহরে নিজের বাইক বা স্কুটি নিয়ে যাওয়ার জন্য রেলের পার্সেল পরিষেবা অত্যন্ত সহজ ও সাশ্রয়ী। এই প্রক্রিয়ার জন্য পার্সেল বুকিং সুবিধা রয়েছে এমন স্টেশনে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হয়। বাইকের ওজন ও গন্তব্যের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে রেল কর্তৃপক্ষ ভাড়ার পরিমাণ নির্ধারণ করে। বাইক বুকিংয়ের সময় আরসি (RC), বৈধ বিমা, পরিচয়পত্র এবং একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো জরুরি প্রয়োজনে বাইকটি অন্য মানুষের নামে থাকলে মূল নথিপত্র বা মালিকের অনুমতিপত্র প্রয়োজন হতে পারে।

বুকিংয়ের আগে বাইকের ট্যাঙ্ক থেকে সম্পূর্ণ পেট্রোল খালি করে নিতে হবে এবং সুরক্ষার জন্য সাইড মিরর খুলে বাইকটি ভালোভাবে প্যাক করতে হবে। স্টেশনে পেশাদার প্যাকারদের দিয়ে বাইক প্যাক করাতে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা খরচ হতে পারে, আর দূরত্বের ভিত্তিতে পার্সেল খরচসহ মোট আনুমানিক খরচ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। গন্তব্য স্টেশনে পৌঁছানোর পর বুকিংয়ের সময় পাওয়া মূল রসিদ দেখিয়ে বাইকটি খালাস করতে হবে। মনে রাখতে হবে, গন্তব্যে পৌঁছানোর ৬ দিনের বেশি সময় স্টেশনে বাইক পড়ে থাকলে অতিরিক্ত চার্জ বা জরিমানা গুনতে হতে পারে। এছাড়া, লোকাল বা এক্সপ্রেস ট্রেনের ওপর ভিত্তি করেও ভাড়ার কিছুটা তারতম্য ঘটে এবং লাগেজ ভ্যানে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে অনেক সময় অন্য ট্রেনেও বাইক পাঠানো হতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *