জামাইষষ্ঠীর মুখে সুখবর, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমুদ্রে ছুটল ইলিশের ট্রলার!
জামাইষষ্ঠীর আগে ভোজনরসিক বাঙালিদের জন্য সুখবর, জ্বালানি তেলের সংকট কাটিয়ে গভীর সমুদ্রে ইলিশের খোঁজে রওনা দিচ্ছে মৎস্যজীবীদের ট্রলার। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জেরে দেশজুড়ে ডিজেলের যে কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপে তা সুরাহা হয়েছে। ফলে ট্রলারগুলোতে ডিজেল বিক্রির ওপর জারি থাকা ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়ায় জামাইষষ্ঠীর বাজারে ইলিশের পর্যাপ্ত জোগান পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের আমদানিতে প্রভাব পড়ায় পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলীয় পাম্পগুলোতে জ্বালানি বিক্রির ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এতে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ৫ থেকে ৭ হাজার লিটারের পরিবর্তে মাত্র ২ হাজার লিটার ডিজেল পাচ্ছিলেন মৎস্যজীবীরা, যার ফলে জেলাজুড়ে প্রায় ৩ হাজারের বেশি ট্রলার ও নৌকো সমুদ্রে যেতে পারছিল না। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর তেল সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ডিজেল পাওয়ার ঊর্ধ্বসীমা প্রত্যাহার করে নেয়। সরকারি এই সিদ্ধান্তের পর দিঘা ও শঙ্করপুরসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে ট্রলারগুলো সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ায় মৎস্যজীবীদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা যেমন কাটল, তেমনি মরসুমের শুরুতে বাজারে ইলিশের জোগানও স্বাভাবিক হতে চলেছে।