শিলিগুড়ির মেয়র পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে তুমুল বিদ্রোহ!
শিলিগুড়ি পৌরনিগমের মেয়র পদ থেকে গৌতম দেবের পদত্যাগের পর প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কোন্দল শুরু হয়েছে। মেয়র পদ শূন্য হওয়ার পরপরই দলের একটি অংশ তড়িঘড়ি ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলেরই একাধিক কাউন্সিলর ক্ষুব্ধ হয়ে পদত্যাগ করেছেন। সেবিকা মিত্তল ও দিলীপ বর্মনের মতো কাউন্সিলররা ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছেন এবং শনিবার আরও দুই মেয়র পারিষদ মানিক দে ও কমল আগরওয়ালার পদত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে। চরম এই পরিস্থিতিতে পৌরনিগমের বোর্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে রাজ্য সরকার ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনে শিলিগুড়ির সবকটি ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পরই গৌতম দেবের সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, যা তাঁর পদত্যাগের নেপথ্যে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের একাংশ রঞ্জন সরকারকে মেয়র ও সঞ্জয় পাঠককে ডেপুটি মেয়র পদে দেখতে চাইলেও অভ্যন্তরীণ এই বিরোধে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। একদিকে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের লড়াই এবং অন্যদিকে একের পর এক ইস্তফার জেরে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও রঞ্জন সরকারের দাবি, বোর্ড টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে, তবে এই ক্রমবর্ধমান দলীয় কোন্দল নিয়ন্ত্রণের ওপরই শাসকদলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।