নারী অপমান ভোলে না! মহিলা বিল নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর
লোকসভায় নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি ভোটাভুটিতে বাতিল হওয়ার পর দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরাসরি কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির মতো পরিবারবাদী দলগুলোকে দায়ী করেছেন। শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, নারী স্বার্থের এই প্রস্তাব যখন ভেস্তে যাচ্ছিল, তখন বিরোধী দলগুলো হাততালি দিয়ে আনন্দ উদযাপন করছিল। মোদীর মতে, মহিলারা নিজেদের অধিকার হরণের এই অপমান কখনো ভুলবেন না।
বিজেপি এই বিলের পতনকে ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ও শোভা করন্দলাজে দাবি করেছেন যে, বিরোধী দলগুলো নারী ক্ষমতায়ন ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব—উভয়কেই দুর্বল করেছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসসহ ইন্ডিয়া জোটের দাবি, বিলটি কেন্দ্রের একটি ‘রাজনৈতিক চাল’। বিরোধীদের মূল আপত্তির জায়গা হলো নারী সংরক্ষণের সঙ্গে সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশনকে জুড়ে দেওয়া। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও শশী থারুর স্পষ্ট করেছেন, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নন, বরং আসন বিন্যাসের মাধ্যমে ফেডারেল কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। বিলটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াটি এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।