রাজনীতিতে আসার আগে সত্যিই কি এসবের দরকার ছিল? ধর্মেন্দ্রর অজানা ভয়ের গল্প!
বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী হেমা মালিনী রুপোলি পর্দার জগত থেকে সরে এসে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় রয়েছেন রাজনীতির ময়দানে। বর্তমানে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) টিকিটে উত্তরপ্রদেশের মথুরা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালে বিনোদ খানার হয়ে প্রচারের সময় সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া এবং ভালোবাসা দেখে তিনি রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হন। তৎকালীন বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আডবাণীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দলটিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে রাজনীতিতে আসার প্রক্রিয়াটি হেমা মালিনীর জন্য সহজ ছিল না। তিনি জানিয়েছেন, স্বামী ধর্মেন্দ্র তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন এবং রাজনীতির কঠোর পথে নামতে বাধা দিয়েছিলেন। মায়ের নিরন্তর উৎসাহে তিনি শেষ পর্যন্ত সাহস সঞ্চয় করেন। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে হেমা বিজেপির নেতৃত্বের কাছে একটি বিশেষ শর্ত দিয়েছিলেন যে, তিনি কেবল মথুরা কেন্দ্র থেকেই নির্বাচনে লড়বেন। কৃষ্ণভক্ত হেমা মালিনীর এই ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দল তাঁকে মথুরা থেকে প্রার্থী করে। সুষমা স্বরাজ ও অরুণ জেটলির মতো নেতাদের সহযোগিতায় দীর্ঘ এই যাত্রাপথ পাড়ি দিয়ে তিনি আজ মথুরার জনদরদী সাংসদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।