দক্ষিণবঙ্গ এখন জলের নিচে, ঘরবাড়ি ছাড়া মানুষ! জানুন জরুরি হেল্পলাইন নম্বর

বার্তা ডেস্কঃ

বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। নদীগুলির জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং আসানসোলে। বসতবাড়িতে জল ঢোকার পাশাপাশি বিঘার পর বিঘা চাষের জমি এখন জলের তলায়। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জেলাগুলির অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার যোগাযোগ ব্যবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন ও এনডিআরএফ (NDRF)।

📌 জেলাওয়ারী পরিস্থিতি এক নজরে:

  • পূর্ব মেদিনীপুর: মঙ্গলবার আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হলেও ভগবানপুর ও পটাশপুরে পরিস্থিতি এখনো সংকটজনক। ঝড়বৃষ্টির কারণে ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুতের তার, ব্যাহত পরিষেবা। সচেতনতার জন্য হলদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। ত্রাণশিবির পরিদর্শন করেছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
    • কন্ট্রোল রুম: হলদিয়া — 7908521200 | জেলা — 03228-262728
  • পশ্চিম মেদিনীপুর: কেলেঘাই নদীর জল বাড়ায় সবং, নারায়ণগড়, মোহনপুর ও দাঁতনে কোমর সমান জল। সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা। প্রশাসন ইতিমধ্যে ৩০টি ত্রাণশিবির চালু করেছে।
    • কন্ট্রোল রুম: 03222-275894
  • বাঁকুড়া: মুকুটমণিপুর জলাধার থেকে ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ায় কংসাবতী ও শিলাবতী নদী ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। গন্ধেশ্বরী নদীর তোড়ে তলিয়ে গেছে বাঁকুড়া-২ ব্লকের ৭ একর কৃষিজমি। এছাড়া, মানকানালী সেতু পার হওয়ার সময় রড বোঝাই ট্রলার আটকে পড়ে চালকের প্রাণ সংশয় দেখা দিয়েছিল।
    • কন্ট্রোল রুম: 03242254375 / 0324224025
  • ঝাড়গ্রাম: সুবর্ণরেখা ও ডুলুং নদীর জল বাড়ায় ঝাড়গ্রামের সঙ্গে বাঁকুড়া ও গোপীবল্লভপুরের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। চিল্কিগড় কজওয়ে জলের তলায়। গোপীবল্লভপুর ও নয়াগ্ৰামে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
    • কন্ট্রোল রুম: 03221-258228
  • আসানসোল: রেলপাড়, বস্তিন বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়িতে জল ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট হয়েছে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়নি।
    • বিধায়কের হেল্পলাইন (আসানসোল): 9593222255

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *