সরলা হত্যা মামলা: ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও নির্দোষ দাবি ইয়াসিনের!
বার্তা ডেস্কঃ
১৯৯০ সালে কাশ্মীরের নার্স সরলা ভট্টকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-এর শীর্ষনেতা ইয়াসিন মালিক শ্রীনগরের বিশেষ আদালতে ২৫ পাতার এক বিস্ফোরক হলফনামা জমা দিয়েছেন। বর্তমানে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি এবং অন্য একটি সন্ত্রাস মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জানিয়েছেন, তিনি এই বিচারপ্রক্রিয়ায় আর অংশ নেবেন না এবং তাঁকে যেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ফাঁসির দাবি জানালেও তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ওই মর্মান্তিক ঘটনার সময়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাই এই মামলায় তাঁকে রাজনৈতিক কারণে মিথ্যাভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের গোয়েন্দা সংস্থা ‘এসআইএ’ সম্প্রতি এই ৩৫ বছরের পুরনো হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নতুন করে শুরু করে ৭৩৭ পাতার চার্জশিট জমা দেওয়ার পরেই ইয়াসিনের এই সিদ্ধান্ত সামনে এল। মামলায় লড়াই না করার ঘোষণার পাশাপাশি ইয়াসিন তাঁর থেকে ২০ বছরের ছোট পাকিস্তানি স্ত্রী মুশল মালিককে আন্তর্জাতিক স্তরে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে এবং ভবিষ্যতের বোঝা থেকে মুক্ত করতে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। সরলা ভট্টকে নব্বইয়ের দশকে নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ইয়াসিন আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে কোনো ক্ষোভ না দেখালেও পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলেই দাবি করে যাচ্ছেন।