রাজ্যের ত্রিমুখী সংকট মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী!

বার্তা ডেস্কঃ

একদিকে নদী ভাঙন, অন্যদিকে ডিভিসির জল ছাড়ায় প্লাবন এবং একই সঙ্গে ফরাক্কায় রেললাইনে ধস—এই ত্রিমুখী সংকটের মুখোমুখি পশ্চিমবঙ্গ। উদ্ভূত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত ও কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বিপর্যয় মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক ব্যবস্থার খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি।

  • মালদহের ভাঙন ও স্থায়ী সমাধান: মানিকচক ও রতুয়ার দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন সমস্যা মেটাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য রাজ্য সরকার বিহার ও ঝাড়খণ্ড সরকারের পাশাপাশি আইআইটি কানপুরের (IIT Kanpur) বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিচ্ছে। পাশাপাশি জেলাশাসকের নেতৃত্বে দুর্গতদের জন্য উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ শিবির পরিচালনার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।
  • ডিভিসির জল ও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা: ডিভিসি থেকে ১ লক্ষ কিউসেকের বেশি জল ছাড়ার ফলে হুগলির আরামবাগের ৭টি ব্লক ও ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং হাওড়ার উদয়নোয়ারায়ণপুর ও আমতার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে বাঁধ ভাঙার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বন্যাকবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
  • রেল বিপর্যয় ও বিকল্প পরিষেবা: নিউ ফরাক্কা স্টেশনের কাছে রেললাইনে ধসের কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আটকে পড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে বিনামূল্যে ২০টি রাজ্য বাস চালু করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে যাতায়াতকারী এই যাত্রীদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার ও পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে।

আবহাওয়া দফতরের হলুদ সতর্কতার (Yellow Alert) মাঝেই সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় রাজ্য প্রশাসন পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় কাজ করে চলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *