মুচলেকা নিয়ে পিজি চালানোয় ৭ জনের মৃত্যু, অবশেষে গ্রেফতার মালিক!
বার্তা ডেস্কঃ
দিল্লির সত্য নিকেতনে পাঁচ তলা আবাসন ভেঙে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত সাত জন পড়ুয়া। দুর্ঘটনায় আহত বেশ কয়েক জন বর্তমানে দিল্লির এইমস (AIIMS)-এ চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাড়ির মালিক, ভারতীয় বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট হরিরাম গুপ্তা ও তাঁর স্ত্রী উর্মিলা গুপ্তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে পাটিয়াল হাউস কোর্টের ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পাশাপাশি তাঁদের ছেলে মহেশ গুপ্তাকে ২ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ৫০ বছরের পুরনো এই বাড়িটি উর্মিলার নামে ছিল। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছাকাছি হওয়ায় বাড়িটিতে রং করে পিজি (PG) হিসেবে ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা চালাতেন হরিরাম ও তাঁর ছেলে মহেশ। গত এক মাস ধরে বাড়িটির একতলায় মেরামতির কাজ চলছিল। রবিবার দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পুরো আবাসনটি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, আবাসন ভাড়া দেওয়ার আগে ছাত্রদের থেকে একটি মুচলেকা সই করিয়ে নেওয়া হতো— যেখানে লেখা থাকত, আবাসিকদের কোনও ক্ষতি হলে পিজি কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।
দুর্ঘটনার পর পরই গোটা ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে দিল্লি পুরনিগমের (MCD) পাঁচ জন আধিকারিককে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পেয়িং গেস্ট সংক্রান্ত নিয়মকানুন পর্যালোচনা ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আশিস সুদের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।