‘আপের প্রক্সি’ তকমা ঝেড়ে সিজেপি-কে কাছে টানলেন রাহুল, মাস্টারস্ট্রোকে কি রাজনীতির সমীকরণ বদল?
বার্তা ডেস্কঃ 
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। একসময়ে আম আদমি পার্টির ‘প্রক্সি’ বলে যে ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) দূরে ঠেলে দিয়েছিল কংগ্রেস, আন্দোলনের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, আন্দোলনরত নাগরিক সমাজ ও তরুণদের এক ছাতার তলায় আনতে প্রখ্যাত আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের মাধ্যমে সিজেপি নেতাদের বিরোধী জোটের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান রাহুল গান্ধী। যদিও মঙ্গলবার সান্ধ্য বৈঠকে শেষ পর্যন্ত সিজেপি যোগ দেয়নি এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনাও এগোয়নি, তবুও এই উদ্যোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
পরিস্থিতির মোড় ঘোরে যখন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও অশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। রাহুল গান্ধী তৎক্ষণাৎ এই গ্রেফতারির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয় এবং তরুণদের জেলে পাঠানো কাপুরুষতার পরিচয়। এমনকি আন্দোলনের ব্যানার আলাদা হলেও লড়াইয়ের উদ্দেশ্য এক বলে মন্তব্য করেন তিনি, যার জবাবে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকও ধন্যবাদ জানান। সমঝোতা বা আনুষ্ঠানিক জোট এখনও চূড়ান্ত না হলেও, দুই শিবিরের এই অবস্থান বদল বিরোধী আন্দোলনকে এক নতুন ও শক্তিশালী মাত্রায় পৌঁছে দিতে পারে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ পর্যবেক্ষকরা।