ভোট চুরির প্রতিবাদে রাজপথে নামুন, মমতা ও রাহুলের পাশে দাঁড়ান!
বার্তা ডেস্কঃ
আগামী রবিবার, ১ নভেম্বর, দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মহাসমাবেশ সফল করতে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং ‘ভোট চুরি’-র অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলি।
বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ঐক্যবদ্ধ হবে ইন্ডিয়া জোট। ভোট চুরির বিরুদ্ধে এই লড়াই আসলে প্রত্যেক ভারতীয় নিজের অধিকার রক্ষার লড়াই। বাংলা এবং অন্যান্য রাজ্যে যে ভোট লুটের ঘটনা ঘটেছে, তার জবাব চাই।” ইভিএম, ভোটার তালিকা এবং ভোট গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা বিভিন্ন সংশয়ের কথা উল্লেখ করে ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক এবং সুশীল সমাজকে এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করেন, ভোটদান প্রক্রিয়া যখন হুমকির মুখে, তখন নীরব থাকা উচিত নয়।
একই সুরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দেশবাসীর কাছে রামলীলা ময়দানে আসার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রবিবার চলো দিল্লি! এটি কোনও একক রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটি ভারতের মূল সত্তাকে বাঁচানোর লড়াই।” নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদক্ষেপে যাঁরা ক্ষুব্ধ এবং যাঁরা সংবিধানকে বাঁচাতে চান, তাঁদের সকলকে এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন রাহুল। বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজের প্রতি তাঁর বার্তা—পুলিশের লাঠির ভয় না পেয়ে দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় রামলীলা ময়দানে আসুন।
আজ, শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইমপিচমেন্ট সংক্রান্ত একটি কর্মসূচিও রয়েছে। এই নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বার্তা পাঠিয়েছেন এবং তৃণমূলের তরফে বেশ কয়েকজন সাংসদ দিল্লির এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।