বিগ বসের অন্দরে সৃজলা ও জিতুর প্রেমের জোয়ারে তোলপাড় নেটপাড়া!

বার্তা ডেস্কঃ

 

বিগ বসের অন্দরে প্রেম ও সংঘাতের মিশেল: জিতু-সৃজলার রসায়ন ঘিরে তুঙ্গস্পর্শী চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর অন্দরে বর্তমান সময়ে প্রতিযোগী জিতু কমল ও সৃজলার সম্পর্কের সমীকরণ দর্শকদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। শো-এর কঠিন টাস্ক এবং নিত্যদিনের বাকবিতণ্ডার চেয়েও এই দুই তারকার ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোর জল্পনা চলছে।

সম্প্রতি একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই চর্চা নতুন মাত্রা পায়। একটি টাস্কের আগে জিতুর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে সৃজলাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় দেখা যায়। ফাঁকা ঘরে অভিনেত্রীকে বিড়বিড় করে বলতে শোনা যায়, “একজনের জন্য নিজেকে শেষ করতেও রাজি, কেন?” নেটিজেনদের বড় অংশের ধারণা, এই উক্তিটি জিতু কমলকে উদ্দেশ্য করেই করা। যদিও পরবর্তীতে জিতু তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং খাওয়া-দাওয়ার অনুরোধ জানান, তবে সৃজলা জেদ ধরে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের সম্পর্কের বরফ গলে।

এই সম্পর্কের গুঞ্জন মূলত শুরু হয় শো-এর আগের কিছু ঘটনা থেকে। অন্য এক প্রতিযোগী নন্দিনী কর্তৃক সৃজলাকে জিতুর ‘স্যাটেলাইট’ বলে কটাক্ষ করা এবং সেই সময়ে জিতুর নীরবতাকে কেন্দ্র করে সৃজলা তীব্র অভিমান প্রকাশ করেছিলেন। ওই সময় সৃজলাকে আবেগপ্রবণ হয়ে বলতে শোনা যায়, “অনেক করেছ। দূরে চলে গেলে শান্তি পেয়ে যাবে।” নবনীতা দাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জিতুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই কৌতূহল রয়েছে দর্শকদের, যার ফলে বিগ বসের চার দেওয়ালে এই নতুন সমীকরণ নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ বাড়ছে।

অন্যদিকে, সম্পর্কের এই মিষ্টি গুঞ্জনের পাশাপাশি শো-এর অন্দরে চলছে জোরদার সংঘাত। সম্প্রতি ‘ভ্যাম্পায়ার বনাম মানুষ’ টাস্ক চলাকালীন পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। টাস্কে ব্যবহৃত পুতুল পকেটে লুকানোকে কেন্দ্র করে নিরঞ্জন ও সৃজলার মধ্যে হাতাহাতি এবং চিৎকার-চেঁচামেচি চরমে পৌঁছায়। নিরঞ্জন অভিযোগ করেন যে সৃজলা তাঁকে লাথি মেরেছেন, অন্যদিকে সৃজলার পালটা অভিযোগ, নিরঞ্জন তাঁকে শারীরিক আক্রমণ করেছেন। এতে নন্দিনী জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।

একদিকে প্রেম ও আবেগের টানাপোড়েন, অন্যদিকে শারীরিক সংঘাত—সব মিলিয়ে বিগ বসের ঘরের বর্তমান পরিস্থিতি দর্শকদের উত্তেজনার পারদকে তুঙ্গে নিয়ে গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *