বয়সের ছাপ নিয়ে জল্পনা, সত্যিই কি মুখ খুললেন কেয়া শেঠ?
দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার কসমেটোলজিস্ট কেয়া শেঠের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রূপচর্চা নিয়ে যে জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে প্রচলিত ছিল, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর প্রথমবারের মতো তা নিয়ে মুখ খুললেন কেয়া শেঠ। তিনি ওই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, কোনোকালেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন না বা তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত যোগাযোগ নেই। একটি মিডিয়া হাউসের সৌজন্যে ২০১১ সালে রাজনীতিকদের রূপচর্চা সংক্রান্ত পরামর্শ নেওয়ার বিষয়টিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুজবের জন্ম দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে নিজের কোনো সম্পর্ক নেই বলে সাফ জানিয়ে কেয়া শেঠ বলেন, তৃণমূলের পরাজয়ের পর অনেকের অবস্থান পরিবর্তন হলেও তিনি প্রথম থেকেই এই বিষয়ে অনড়। বরং তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমান সরকারের আমলে তাঁর ব্যবসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি অসহযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কেয়া শেঠের দাবি, সিঙ্গুর ও বারুইপুরে তাঁর একাধিক প্রোজেক্ট সরকারি বাধার কারণে আটকে রয়েছে এবং কালীঘাটে তাঁর মলের সামনে ডাস্টবিন তৈরি করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলে এই সমস্যাগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব হতো বলে তিনি উল্লেখ করেন।