পরকীয়ার বলি ৬ প্রাণ, কুঠারের আঘাতে রক্তাক্ত এক পরিবার!
২০০৯ সালের ২৫ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের গৌরা গ্রামে স্বামী ও তার প্রেমিকার হাতে এক গৃহবধূসহ মোট পাঁচজন নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। রান্নার জন্য নুন কেনা নিয়ে স্বামী সর্বনের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। সন্তোষী নামের ওই গৃহবধূ তার স্বামী ও তার ভ্রাতৃবধূ সুমনের অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় তারা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ঘটনার দিন সুমন কুঠার হাতে বাড়িতে ঢুকে সন্তোষী এবং তার ছয় বছর বয়সী ছেলে রামরূপ, চার বছর বয়সী সুমিরন ও দেড় বছরের শিশু রবিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। প্রাণ বাঁচাতে আসা প্রতিবেশী মাধুরী ও তার সন্তানকেও রেহাই দেয়নি আততায়ীরা।
ঘটনার পর পুলিশ সর্বনকে গ্রেপ্তার করলে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অবৈধ সম্পর্কের আড়ালে এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়। তদন্তে জানা যায়, পারিবারিক অশান্তি ও সম্পর্কের বাধা দূর করতেই সর্বন ও সুমন মিলে এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। দীর্ঘ নয় বছর বিচারিক প্রক্রিয়া চলার পর আদালত এই মামলায় রায় ঘোষণা করে। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী স্বামী সর্বনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া ভ্রাতৃবধূ সুমনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।