ভবানীপুর ছাড়লে আবার দাঁড়িয়ে পড়তেন শুভেন্দু, নন্দীগ্রামের মাটিতেই বিস্ফোরক বার্তা!

বার্তা ডেস্কঃ

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং ভবানীপুর কেন্দ্রটি নিজের দখলে রাখেন। তবে নিজের পুরোনো কেন্দ্র নন্দীগ্রাম কেন ছাড়লেন? উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অবশেষে নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়েই সেই কারণ স্পষ্ট করলেন তিনি।

ভবানীপুর ধরে রাখার পেছনে কারণ নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুর আসনটি খালি করে দিলে পরাজিত প্রার্থী আবার সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়ে যেতেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “আমি ভবানীপুর ছেড়ে দিলে, যাকে মানুষ বিতাড়িত করেছে সে আবার দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেত।”

নন্দীগ্রামবাসীকে বিশেষ আশ্বাস বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেও নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা একই থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “চিন্তার কারণ নেই, আপনাদের বন্ধু শুভেন্দু আগের মতোই আছে এবং আগামী দিনেও থাকবে।” পদ না থাকলেও নন্দীগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে আগের চেয়ে তিন গুণ বেশি সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সেই সঙ্গে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ যোগ্য বিধায়ক হিসেবে এলাকার মানুষের কাজ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।

বিরোধী শিবিরে তীব্র আক্রমণ জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস, বাম ও কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধীদের অস্তিত্বকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে তিনি দাবি করেন, আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিরোধীদের জামানত জব্দ হবে এবং ভোটের ফল গণনার দিন বুথভিত্তিক হিসেবে তা প্রমাণিত হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *