বন্যায় তলিয়ে যাওয়া ৪৫ ফুটের সেই ‘বড়মা’ মন্দিরে এবার জনসমুদ্র!

বার্তা ডেস্কঃ

পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষীরপাই শহরের চিরকুনডাঙায় অবস্থিত ৪৫ ফুটের বিশালাকার কংক্রিটের কালীপ্রতিমা ‘বড়মা’ নামে পরিচিত। প্রায় ২৩ বছর আগে একটি ভয়াবহ বন্যার তোড়ে মাটির চালা ও ছোট কালীমূর্তি ভেসে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর ভবিষ্যতে বন্যা থেকে দেবীর প্রতিমা রক্ষা করার উদ্দেশ্যে বিশাল এই কংক্রিটের অলৌকিক মূর্তি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শ্রী গোপালচন্দ্র রায় নামের এক সাধকের স্বপ্নাদেশ ও পরিকল্পনায় তাঁর সাত পুত্র শ্মশানের পাশে নিজেদের জমিতে মৃৎশিল্পী রণজিৎ দাসকে দিয়ে এই বিশালাকার মন্দির তৈরি করান।

শ্মশানকালী রূপে পূজিত এই মূর্তির চার হাতের মধ্যে বিশেষত্ব হলো, একটি হাতে পৃথিবীর প্রতিকৃতি ও অন্য হাতে সাদা পায়রা, যা বিশ্বশান্তি ও রক্ষার বার্তা দেয়। বাকি দুই হাতে রয়েছে খড়্গ ও নরমুণ্ড। অমাবস্যা ছাড়া অন্য সাধারণ দিনগুলিতে এই মন্দিরে কোনো পুরোহিত থাকেন না, ভক্তরা নিজেরাই ভক্তিভরে পুজো দেন। কোনো দক্ষিণা বা বলির প্রথা নেই এই বিশেষ মন্দিরে। দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লক্ষ লক্ষ ভক্ত মনস্কামনা পূরণ ও আরোগ্য লাভের আশায় নিত্যদিন এখানে সমাগম ঘটান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *