অভিষেকের গ্রেফতারি কি শুধুই সময়ের অপেক্ষা? কী বার্তা দিলেন শান্তনু!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে, দাবি শান্তনু ঠাকুরের
কল্যাণী: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুব শীঘ্রই জেলে যেতে হবে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় নিজের নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গত ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর কালীঘাটের বাসভবনের সামনে জমায়েতকে কেন্দ্র করে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার রেশ এখনও কাটেনি। শুক্রবার রাতে সেখানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। অভিষেকের বাড়ির সামনে ব্যানার-কাটআউট ছেঁড়া ও স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের সঙ্গেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটেই শনিবার শান্তনু ঠাকুর বলেন, “অভিষেকের বিরুদ্ধে শীঘ্রই বড় পদক্ষেপ করা হতে পারে এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হবে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, কালীঘাটের সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক বাদানুবাদের মধ্যেই শান্তনু ঠাকুরের এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের জনগণের সুবিধার্থে শনিবার কল্যাণীতে পৃথক কার্যালয় চালু করেন শান্তনু ঠাকুর। তিনি জানান, সরকারি কাজ বা সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাধারণ মানুষকে যাতে আর বনগাঁ পর্যন্ত ছুটতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। তবে কার্যালয় উদ্বোধনের চেয়েও অভিষেককে নিয়ে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
অন্যদিকে, কালীঘাটের ঘটনার পর শনিবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অভিষেকের বাসভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে কালীঘাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে।